সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

খুলনায় স্থাপন হচ্ছে ৬০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র

খুলনায় ৬০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন দিয়ে প্লান্টটির কার্যক্রম শুরু হবে।

খুলনায় ৬০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন দিয়ে প্লান্টটির কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়ানো হবে। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকা। এ লক্ষ্যে সুন্দরবন ডেল্টা গ্রোথ ইনিশিয়েটিভের (এসডিজিআই) সঙ্গে আরব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

গতকাল দুপুরে খুলনা ক্লাব মিলনায়তনে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর আগে প্রকল্পটি সম্পর্কে সাংবাদিকদের ধারণা দেন সুন্দরবন ডেল্টা গ্রোথ ইনেশিয়েটিভের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আসগর লবি।

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটি দুই হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনের বৃহৎ পরিকল্পনার প্রথম ধাপ, যা বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট শক্তির ২৫ শতাংশ সবুজ উৎস থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা সুন্দরবনসহ সারা দেশে গ্রিন এনার্জি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৌশলগত উন্নয়ন পরিকল্পনা (এসডিজি) বাস্তবায়নে কাজ করছি। যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তির অংশ ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর প্রথম পদক্ষেপ হলো ৬০০ মেগাওয়াটের এ প্রকল্প। এখানে শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে।’

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে েদড় হাজার একরের বেশি জমি প্রয়োজন হবে উল্লেখ করে আলী আসগর লবি বলেন, ‘নগরীর শিরোমণি এবং বিল ডাকাতিয়া এলাকায় জমি দেখা হচ্ছে। এখানে জমি পাওয়া না গেলে মোংলায় জমি খোঁজা হবে। এছাড়া মোংলা ও অন্যান্য নদীবন্দরে পরিষ্কার লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা ও বন্দর সক্ষমতা বাড়ানো, পরিবেশবান্ধব স্মার্ট বন্দর ব্যবস্থাপনা চালু, নিয়ন্ত্রিত শিল্প পুনর্বিন্যাস এবং খুলনার যুবসমাজকে প্রশিক্ষণ দিয়ে সবুজ প্রযুক্তি ও ম্যানুফ্যাকচারিং ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হবে। সব মিলিয়ে মৃত শিল্পাঞ্চলের গৌরব ফিরিয়ে আনতে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভূমিকা রাখবে।’

আরও